মানুষের মানসিক যৌনতা এবং লিঙ্গ পরিচিতি প্রসঙ্গে আমাদের দেশে মানুষের মধ্যে কুসংস্কারের অন্ত নেই। পিতৃতান্ত্রিকতার স্বীকৃতির বাইরে অন্য যে কোন যৌন পরিচয়ের মানুষ বা যৌন অভ্যাসে লিপ্ত গোষ্ঠী সামাজিক হেনস্থার শিকার হন। জনতার মধ্যে সঠিক বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির অভাব থেকে জন্ম নেয় অন্ধবিশ্বাস ও ঘৃণা। কোন ব্যক্তির যৌন ও লিঙ্গ পরিচয় কিভাবে নির্ধারিত হয় তার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা রয়েছে প্রবন্ধটিতে।
ডাঃ অমিতাভ ব্যানার্জী, এম.ডি.,
বর্তমানে ডি.ওয়াই. পাটিল মেডিক্যাল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন-এর অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান এবং পূর্বে ভারতীয় সেনাবাহিনীর মহামারী বিশেষজ্ঞ ছিলেন।
“দ্য ইকোলজিস্ট পত্রিকায় খুব সুন্দর একটি কার্টুন ছাপা হয়েছিল যার হেডিং ছিল ইভল্যুশন অফ সায়েন্স। ছবিটা এরকম—দুটো পাশাপাশি ছবির একটাতে গ্যালিলিও, তাঁর সামনে পোপ দাঁড়িয়ে। পোপ গ্যালিলিওকে বলছেন যে, তুমি যদি চার্চের ডগমা না মানো তাহলে তোমাকে পুড়িয়ে মারব। পরের ছবিতে পোপের জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে কর্পোরেট বস,আর গ্যালিলিওরূপী পুশতাইকে সে বলছে যে, তুমি যদি কর্পোরেট ডগমা না মানো তাহলে তোমাকে মামলা করে সর্বস্বান্ত করে দেব। এই হাস্যকর অথচ ভয়ঙ্কর বিবর্তনটা বিজ্ঞানের কিন্তু হয়েছে।”
লিখেছেন অভ্র চক্রবর্তী
চিকিৎসকদের পেশাগত নৈতিকতার প্রথম আচরণবিধি, “প্রাইমাম নন নোসের” ( প্রথমত, কোনো ক্ষতি করো না) এই শপথ বাক্যটির সম্পূর্ণ বিপরীতে দাঁড়িয়ে, গর্ভাবস্থায় কোভিড টিকাকরণের পক্ষাবলম্বী চিকিৎসকরা এমন একটি অনুশীলনের পক্ষে সওয়াল করছেন, যা শুধু অনৈতিক নয় ভবিষ্যতের কাছে এক অমার্জনীয় কীর্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।