‘কোভিডের প্যানডেমিক’কে যখন আমরা চক্রান্ত বলছি, প্ল্যানডেমিক বলছি, তখন পাঠকের মনে এই প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক, তাহলে এই যে এত মানুষের সংক্রমিত হওয়া, এত মানুষের মৃত্যু, এসব কি সত্যই নয়? এগুলো কি ম্যাজিক? বিজ্ঞানের যুগে আমরা তো জানি যে ম্যাজিকের পেছনে থাকে বিজ্ঞান। মানুষের চোখকে ধোঁকা দেওয়ার কারসাজি। কোভিডের এই যে এত এত সংখ্যা, এও এক ধরণের ম্যাজিক। সংখ্যাকে বড় করে দেখানোর, মানুষের মনকে ধোঁকা দেওয়ার কারসাজি। এই কারসাজি লুকিয়ে রয়েছে কয়েকটি মাত্র প্রক্রিয়ার মধ্যে। আসুন আমরা বুঝে নিই এই প্রক্রিয়াগুলো।
সব শুরুরই একটা শুরু থাকে। এই অতিমারীর সময়ের শুরুটা খুঁজতে গিয়ে ক্রমশঃ পিছিয়ে যেতে হচ্ছে। এক বছর, এক বছর করে এক দশক। এক দশকের এই ঘটনাপরম্পরা পুরোটাই কি কিছু আকস্মিকতার সমাহার! এত সমাপতনও সম্ভব?
চিকিৎসকদের পেশাগত নৈতিকতার প্রথম আচরণবিধি, “প্রাইমাম নন নোসের” ( প্রথমত, কোনো ক্ষতি করো না) এই শপথ বাক্যটির সম্পূর্ণ বিপরীতে দাঁড়িয়ে, গর্ভাবস্থায় কোভিড টিকাকরণের পক্ষাবলম্বী চিকিৎসকরা এমন একটি অনুশীলনের পক্ষে সওয়াল করছেন, যা শুধু অনৈতিক নয় ভবিষ্যতের কাছে এক অমার্জনীয় কীর্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
পাতা 4 এর 4