জনস্বাস্থ্য মোর্চা
Peoples Alliance for Public Health
আমাদের অনুসরণ করুন:

Select your language

  • বাংলা
  • English
  • প্রথম পাতা
  • বোঝাপড়া
    • আমাদের কথা
    • মতামত
    • বিশেষজ্ঞর চোখে
    • অধিকার
  • যৌথতা
    • প্রতিরোধ
    • সংহতি
  • সম্মেলন, সভা, সেমিনার
    • ঘোষণা
    • কর্মসূচী
    • গঠনতন্ত্র
    • সম্মেলন
    • সভা
    • সেমিনার
  • জনস্বাস্থ্য মোর্চা সম্পর্কে
    • কেন জনস্বাস্থ্য মোর্চা
    • যোগাযোগ
    • কাজের রিপোর্ট
Menu
  • প্রথম পাতা
  • বোঝাপড়া
    • আমাদের কথা
    • মতামত
    • বিশেষজ্ঞর চোখে
    • অধিকার
  • যৌথতা
    • প্রতিরোধ
    • সংহতি
  • সম্মেলন, সভা, সেমিনার
    • ঘোষণা
    • কর্মসূচী
    • গঠনতন্ত্র
    • সম্মেলন
    • সভা
    • সেমিনার
  • জনস্বাস্থ্য মোর্চা সম্পর্কে
    • কেন জনস্বাস্থ্য মোর্চা
    • যোগাযোগ
    • কাজের রিপোর্ট

খিদের ভুবনে ভারতের খিদে

লিখেছেন: সন্দীপন মিত্র

বিশ্বের চার ভাগ ক্ষুধার্ত মানুষের এক ভাগ বাস করে ভারতে। ২০২২ থেকে ২০২৩ সালে বিশ্ব ক্ষুধা সূচক সারণীতে ভারতের স্থান ১২৫টি দেশের মধ্যে ১০৭ থেকে নেমে ১১১নম্বরে পৌঁছেছে এবং দেখা যাচ্ছে শিশুমৃত্যু, অপুষ্টি আর অ্যানিমিয়ার ক্ষেত্রে ভারতের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আবার পৃথিবীর যে পঞ্চাশটি দেশে স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বরাদ্দ সর্বনিম্ন ভারতবর্ষ সেই তালিকাতেও রয়েছে। অথচ আমাদের দেশ খাদ্যে স্বয়ম্ভর। পৃথিবীর বহু দেশের খাদ্য সুরক্ষা নির্ভর করে ভারত থেকে রপ্তানি হওয়া শস্যের ওপর। এবিষয়ে লিখেছেন শ্রী সন্দীপন মিত্র।  

বিস্তারিত পড়ুন...

একটি গণউদ্যোগে পরিচালিত হাসপাতালের রোগীদের তথ্য অনুযায়ী কিছু নির্দিষ্ট রোগের প্রবণতা অনুসন্ধান

বিশ্বজুড়ে এবং আমাদের দেশে যথেচ্ছ স্টেরয়েড ব্যবহার করার মতো করোনার অতিচিকিৎসা প্রোটোকল বা অপরীক্ষিত টিকার গণপ্রয়োগ এক অভূতপূর্ব জনস্বাস্থ্য সঙ্কট ডেকে এনেছে। বিশেষত স্কুলপড়ুয়া, অল্পবয়সী এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে হৃদরোগ এবং হার্ট অ্যাটাকের পরিমাণ দ্রুত মাত্রাছাড়া হয়ে চলেছে। একটি জনস্বাস্থ্য সংগঠন হিসেবে মানুষের সামনে যথাযোগ্য প্রমাণ সহযোগে সেকথা তুলে ধরার দায় আমাদের ওপর বর্তায়। সেই ভাবনা থেকে আমরা সুন্দরবন শ্রমজীবী হাসপাতাল এবং বেলুড় শ্রমজীবী হাসপাতালে একটি সমীক্ষা চালাই। 

আমরা দেখেছি ২০১৯ থেকে ২০২২ সময়সীমায় বেলুড় শ্রমজীবী হাসপাতালে যত রোগী ভর্তি হয়েছেন তাঁদের মধ্যে ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা এবং স্ট্রোক যথাক্রমে প্রায় ৪৫৫%, ৪৪৫%, ৩৪৩%, ৪৯১% এবং ৮১১% বৃদ্ধি পেয়েছে। এখানে সংখ্যাগুলি নিজেরাই কথা বলছে। মনে রাখতে হবে যে এই দুটি হাসপাতালে ইমারজেন্সি পরিষেবা না থাকার কারণে রক্তক্ষরণ, হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের রোগীরা এখানে অধিকাংশ ক্ষেত্রে আসেন না। তাই আমরা মনে করছি যে দেশের জনতার মধ্যে এইসব রোগের প্রকোপ আরও বেশি সংকটজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বেলুড়ের শ্রমজীবী হাসপাতালে ইমারজেন্সি পরিষেবা না থাকলেও হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা করানো রোগীর সংখ্যা প্রতি বছরে ৫০০০এর আশেপাশে থাকে। করোনাকালেও এর খুব একটা হেরফের হয়নি। এই হাসপাতালের সাথে যুক্ত দক্ষ এবং অকুতোভয় ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী এবং স্বাস্থ্য আন্দোলনের সাথে যুক্ত অক্লান্ত কর্মীদের জন্য তা সম্ভব হয়েছিল। 

বিস্তারিত পড়ুন...

যথেচ্ছ টীকাকরণের ফলে লাভ হোলো না ক্ষতি? একটি গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে রিপোর্ট

বিশ্বজুড়ে এবং আমাদের দেশে যথেচ্ছ স্টেরয়েড ব্যবহার করার মতো করোনার অতিচিকিৎসা প্রোটোকল বা অপরীক্ষিত টিকার গণপ্রয়োগ এক অভূতপূর্ব জনস্বাস্থ্য সঙ্কট ডেকে এনেছে। বিশেষত স্কুলপড়ুয়া, অল্পবয়সী এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে হৃদরোগ এবং হার্ট অ্যাটাকের পরিমাণ দ্রুত মাত্রাছাড়া হয়ে চলেছে। একটি জনস্বাস্থ্য সংগঠন হিসেবে মানুষের সামনে যথাযোগ্য প্রমাণ সহযোগে সেকথা তুলে ধরার দায় আমাদের ওপর বর্তায়। সেই ভাবনা থেকে আমরা সুন্দরবন শ্রমজীবী হাসপাতাল এবং বেলুড় শ্রমজীবী হাসপাতালে একটি সমীক্ষা চালাই। 

২০১৯ থেকে ২০২১ সময়সীমায় সরবেড়িয়ার সুন্দরবন শ্রমজীবী হাসপাতালে যত রোগী ভর্তি হয়েছেন তাঁদের মধ্যে ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ এবং হৃদরোগ যথাক্রমে প্রায় ১৩৩%, ৩৩% এবং ১০০% বৃদ্ধি পেয়েছে। সুন্দরবন শ্রমজীবী হাসপাতালে মোট রোগীর পরিমাণ যথেষ্ট কম এবং হাসপাতালটিতে কোন ইমারজেন্সি পরিষেবা নেই। তাই এই হাসপাতাল থেকে এই সব রোগের মতো সমস্যার তথ্য এলাকার প্রামাণ্য চিত্র হিসেবে ধরে নেওয়া মুশকিল ছিল। সেই ভাবনা থেকে আমরা পরবর্তী সমীক্ষা চালাই বেলুড় শ্রমজীবী হাসপাতালে। 

বিস্তারিত পড়ুন...

জিন সাম্রাজ্যবাদ

লিখেছেন: অভ্র চক্রবর্তী

“দ্য ইকোলজিস্ট পত্রিকায় খুব সুন্দর একটি কার্টুন ছাপা হয়েছিল যার হেডিং ছিল ইভল্যুশন অফ সায়েন্স। ছবিটা এরকম—দুটো পাশাপাশি ছবির একটাতে গ্যালিলিও, তাঁর সামনে পোপ দাঁড়িয়ে। পোপ গ্যালিলিওকে বলছেন যে, তুমি যদি চার্চের ডগমা না মানো তাহলে তোমাকে পুড়িয়ে মারব। পরের ছবিতে পোপের জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে কর্পোরেট বস,আর গ্যালিলিওরূপী পুশতাইকে সে বলছে যে, তুমি যদি কর্পোরেট ডগমা না মানো তাহলে তোমাকে মামলা করে সর্বস্বান্ত করে দেব। এই হাস্যকর অথচ ভয়ঙ্কর বিবর্তনটা বিজ্ঞানের কিন্তু হয়েছে।”

 

 লিখেছেন অভ্র চক্রবর্তী 

বিস্তারিত পড়ুন...

নিরন্তর প্রশ্ন করে যেতে হবে

লিখেছেন: ডা. স্থবির দাশগুপ্ত

কোনও হুমকির সামনেও, আমি আমার ডাক্তারি বিদ্যাকে এমনভাবে ব্যবহার করব না যাতে নাগরিক স্বাধীনতা আর জনমানুষের অধিকার লঙ্ঘিত হয়” – হিপোক্রেটিসের শপথের অংশ, ডাক্তারদের শপথের অংশ। তাই অতিমারীর ঝঞ্ঝার মধ্যে গণ টিকাকরণ কতটা যুক্তিগ্রাহ্য, “লকডাউন” কার সর্বনাশ ডেকে আনে, আর কার পৌষ মাস, এই প্রশ্ন ন্যায্য। অতিমারী কি প্রকৃতির স্বাভাবিক সৃষ্টি, না কোনও গবেষণাগারের কৃত্রিম নির্মাণ, “কোভিড”-এ ভোগান্তি আর মৃত্যুর চেয়ে অনাহারের বিপন্নতা আর মৃত্যু মহীয়ান কিনা, এসব কথা তুলতেই হবে।

বিস্তারিত পড়ুন...

জিএমও চাষ ও জনস্বাস্থ্য

লিখেছেন: অমর্ত্য

সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রথমত ও প্রধানত প্রয়োজন পুষ্টি। তাই জনস্বাস্থ্যের কথা ভাবতে হলে আগে জনগণের জন্য সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্যের প্রয়োজনীয় যোগান ও জনগণের কাছে তা সহজলভ্য করার কথা ভাবতে হবে। এর উল্টো দিকে, খাদ্যের মধ্যে ক্ষতিকারক উপাদান থাকলে তা হবে ব্যক্তি ও জনসমষ্টির সুস্বাস্থের পরিপন্থি। তাই জনস্বাস্থ্যের ওপর জিএমওর প্রভাব বুঝতে হলে আগে এটা জানা দরকার জিএমও কি, এক্ষেত্রে খাদ্যের উপাদানে ক্ষতিকারক কিছু থাকে কিনা এবং থাকলে তা স্বাস্থ্যের কতটা ক্ষতি করতে পারে। কারণ ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলে খাদ্যগুন আর বিবেচ্য হতে পারে না।

বিস্তারিত পড়ুন...

‘গণশত্রু’র ডায়েরি

লিখেছেন: ত্রিদীপ দস্তিদার

এক স্বাস্থ্য আন্দোলনের কর্মীর ডায়েরি থেকে করোনার সময়ের কিছু পাতা... 

বিস্তারিত পড়ুন...

যুক্তিবাদীদের বলছি, স্যার!

লিখেছেন: ডা. গৌতম দাস

যুক্তি যখন প্রতিষ্ঠান আর ক্ষমতা-র মান্যতার কাছে নিজেকে সমর্পণ করে, তখন এক বেজায় সমস্যা তৈরি হয়। ক্ষমতার দাপটকেই 'যুক্তি'-র প্রমাণ হিসেবে দাবি করা হয়। 'কোভিড ১৯-এর নামে সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং মানবাধিকারের ক্ষেত্রে যে পাহাড়প্রমাণ অন্যায় এবং মিথ্যাচার সংঘটিত হচ্ছে, সারা পৃথিবী জুড়ে ক্ষমতাশালীদের যে আখ্যান এই অন্যায় এবং মিথ্যাচারকে ‘নিউ নরমাল’ আর ‘গ্রেট রিসেট’ বলে চালানোর চেষ্টা করছে, স্বঘোষিত যুক্তিবাদীরা তাদের সুরেই পোঁ ধরেছেন। এই চিৎকৃত আত্মরতি, নির্বোধ এবং বদ রসিকতা অনেক সময় কুৎসিত মনে হয়।'

বিস্তারিত পড়ুন...

প্রেসক্রিপশন - চিকিৎসা বাজারের "পণ্য"

লিখেছেন: ডা. স্বপন কুমার জানা

আমাদের  দেশে  চিকিৎসা  বরাবরই "পণ্য"। তবে ১৯৮৬ সাল থেকে সরকার "ক্রেতা সুরক্ষা আইন" করে  চিকিৎসা পরিষেবাকে আইনী ভাবে  "পণ্য" হিসেবে জনগণের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে  । ফলে চিকিৎসা পরিষেবা ক্ষেত্র চিকিৎসা বাজারে পরিণত হয়েছে । দেশের চিকিৎসা বাজার মূলত বেসরকারী । তবে সরকারী ক্ষেত্র থেকে চিকিৎসা বিনামূল্যের বলা হলেও রোগী ও জনসাধারণকে বিভিন্ন ভাবে গাঁটের কড়ি খরচ করতে হয় । এ ধরনের একটি ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে চিকিৎসকরা রোগীদের চিকিৎসার  জন্য প্রেসক্রিপশন প্রদান করেন ।

বিস্তারিত পড়ুন...

বিখণ্ডিত সমাজ

লিখেছেন: ডা. অমিতাভ ব্যানার্জি
অনুবাদক: ডা. স্থবির দাশগুপ্ত

কোভিড নিয়ে আজগুবী প্রচার করে আমরা একটা মানসিক ব্যাধিগ্রস্ত সমাজ তৈরি করে ফেললাম, ডাক্তারি ভাষায় এই ব্যাধির নাম, ‘অবসেসিভ-কম্পালসিভ ডিসঅর্ডার’ (উদ্বেগজনিত ব্যাধি)। সমাজটাকে এই ব্যাধি থেকে মুক্ত করতে না-পারলে বিপদ ভয়ানক।

বিস্তারিত পড়ুন...

পাতা 3 এর 4

  • 1
  • 2
  • 3
  • 4

বোঝাপড়া

রাষ্ট্র, কর্পোরেট সংস্থা, এবং অতিরাষ্ট্র (যেমন, জাতিসঙ্ঘ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইত্যাদি), যারা জনমানুষের
মতামতের কোনও তোয়াক্কা করে না, তাঁদের সুখ দুঃখের কথা ভাবে না, তারা হঠাতই জনস্বাস্থ্য নিয়ে হয়ে
উঠল উদ্বেলিত। এবং জনস্বাস্থ্যের অজুহাতে, জনমানুষের জীবনযাপনকে করল কারারুদ্ধ। জনস্বাস্থ্য কী,
কিসে জনমানুষের উপকার, এই অবরুদ্ধ অবস্থা হোলো কিভাবে, কোন পথে, এবং এই অন্ধকার থেকে
আলোয় উত্তরণের পথই বা কি, এরকম কিছু প্রশ্ন নিয়ে জনস্বাস্থ্য মোর্চার -এর নিজস্ব বক্তব্য, বোঝাপড়া
বা বোঝাপড়ায় পৌঁছানোর প্রক্রিয়া নিয়ে লেখালেখিগুলো আছে বোঝাপড়ার মধ্যে। এর মধ্যে থাকছে -
আমাদের কথা - জনস্বাস্থ্য মোর্চার নিজস্ব বক্তব্য / আহবান।
মতামত - জনস্বাস্থ্য বিষয়ে এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত এবং আপাত-অসম্পর্কিত অন্যান্য বিষয় নিয়ে
বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন যে কাজ করছেন সেগুলো কিছু চিন্তার খোরাক-এর যোগান দিতে পারে এবং
আমাদের চারপাশে ঘটে চলা ঘটনাগুলোর কার্য-কারণ সম্পর্কগুলো নিয়ে একটা বোঝাপড়া তৈরিতে
সাহায্য করতে পারে।
বিশেষজ্ঞের চোখে - জনস্বাস্থ্যের বিষয় নিয়ে বিশেষজ্ঞদের দেখার ধরণটাই একটু আলাদা। তাঁদের বিশেষ
জ্ঞান এবং প্রশিক্ষনের কারণেই। তাঁদের কথা তাঁদের নিজস্ব ঢঙে বলার জন্য রইল আমাদের এই পাতাটি।
অধিকার - জনস্বাস্থ্য যতটা না স্বাস্থ্য এবং চিকিৎসা, তার থেকে বেশিই হয়ত স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়ার
অধিকারের বিষয়, যথাযথ স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং চিকিৎসা পাওয়ার অধিকারের বিষয়, স্বাস্থ্যের নানা রূপের
অধিকারের বিষয়, চিকিৎসা পরিষেবা বেছে নেওয়ার অধিকারের বিষয়। আর এখন যা আমরা হাড়ে হাড়ে
বুঝতে পারছি, চিকিৎসা না নেওয়ার অধিকারেরও বিষয়। এই সব কিছু এবং অন্যান্য অধিকারের বিষয়
নিয়েই আমাদের এই পাতা।

যৌথতা

সারা বিশ্বের কর্পোরেট সাম্রাজ্যের পরিচালকেরা তাদের বিভিন্ন নেতার মাধ্যমে তাদের আসল উদ্দেশ্য পরিষ্কার করে দিয়েছে। যে পৃথিবীর অন্তত ৪ বিলিয়ন 'অপ্রয়োজনীয় অন্নধ্বংসকারীদের' পৃথিবীর বুক থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে ২০৫০ সালের মধ্যে। ছোট ছোট যুদ্ধ, মারত্মক জীবাণুদের দ্বারা মহামারী এবং কৃত্রিম খাদ্য সংকট তৈরী করে। একমাত্র তাহলেই পৃথিবীর জনসংখ্যা কিছুটা তাদের আয়ত্ত্বের মধ্যে আসবে। মৃত্যু পরোয়ানা যখন ঘোষণাই হয়ে গেছে, আমাদের উচিত একসাথে লড়া, বেধে বেধে থাকা। সেই উদ্দেশ্যেই, অন্যান্য সংগঠনের সাথে যে সংহতি জ্ঞাপন করছি বা যে প্রতিরোধ এ সামিল হচ্ছি, সেই সম্পর্কে জানতে পারবেন এই দুই পাতা থেকে।

সম্মেলন, সভা, সেমিনার

নিতান্তই কিছু সাংগঠনিক কেজো কথা রয়েছে এই বিভাগে। যে কথা সংগঠনের চলার পথে খুবই প্রয়োজনীয় এর সদস্যদের কাছে, আবার এই সংগঠন কে চিনতে সাহায্য করবে অন্যান্যদের। ঘোষণার মধ্যে দিয়ে আমরা জানান দেবো আগামী দিনের কাজকর্মের। আর কর্মসূচী এবং গঠনতন্ত্র এ থাকবে পুরনো এবং নতুন কর্মসূচী এবং গঠনতন্ত্র। সম্মেলন, সভা এবং সেমিনার এ থাকছে সম্মেলন, সভা এবং সেমিনার এর মিনিটস এবং ভিডিও।

জনস্বাস্থ্য মোর্চা সম্পর্কে

জনস্বাস্থ্য মোর্চা জন্ম নিলো কোন পরিস্থিতিতে? কোন ধারাবাহিকায় ? সেই ইতিহাস ধরে রাখবো আমরা কেন জনস্বাস্থ্য মোর্চা - এই শিরোনামে। আর কাজের রিপোর্ট এ লিখে রাখবো যা যা সাংগঠনিক উদ্যোগ নেওয়া হোলো তার সারাংশ।

এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত যে কোন লেখা যে কেউ, প্রয়োজন বুঝলে, অন্য যে কোন জায়গায় ব্যবহার করতে পারেন। আমরা শুধু সেই ব্যবহারটা জানতে আগ্রহী।
যে লেখাগুলো জনস্বাস্থ্য মোর্চার নয়, কোন ব্যক্তির নামে প্রকাশিত, সেখানে, বক্তব্যটা একান্তই লেখকের নিজস্ব। আমরা সেই বক্তব্যটা চর্চার প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছি। এই লেখাগুলো আমরা লেখকের অনুমতিক্রমে প্রকাশ করি। সেগুলো অন্য কোথাও ব্যবহারের দায়িত্ব আমাদের পক্ষে নেওয়া সমীচীন নয়।
আর এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত যে কোন লেখা সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া আমরা স্বাগত জানাই। এ বিষয়ে আমাদের বক্তব্য শুধু এই যে প্রতিক্রিয়াটি লেখার বিষয়বস্তু কে ঘিরে হওয়াটাই কাম্য; প্রতিক্রিয়া যেন এমন হয় যে সমর্থনে বা বিরোধিতায়, নতুন কিছু বক্তব্য যোগ করা যায়। সমর্থন হোক বা বিরোধিতা, তার তথ্য এবং তত্ত্বের ভিত্তি যেন শক্ত হয়।

© 2026 জনস্বাস্থ্য মোর্চা। Peoples Alliance for Public Health
Developed by Argentum Web Solutions