জনস্বাস্থ্য মোর্চা
Peoples Alliance for Public Health
আমাদের অনুসরণ করুন:

Select your language

  • বাংলা
  • English
  • প্রথম পাতা
  • বোঝাপড়া
    • আমাদের কথা
    • মতামত
    • বিশেষজ্ঞর চোখে
    • অধিকার
  • যৌথতা
    • প্রতিরোধ
    • সংহতি
  • সম্মেলন, সভা, সেমিনার
    • ঘোষণা
    • কর্মসূচী
    • গঠনতন্ত্র
    • সম্মেলন
    • সভা
    • সেমিনার
  • জনস্বাস্থ্য মোর্চা সম্পর্কে
    • কেন জনস্বাস্থ্য মোর্চা
    • যোগাযোগ
    • কাজের রিপোর্ট
Menu
  • প্রথম পাতা
  • বোঝাপড়া
    • আমাদের কথা
    • মতামত
    • বিশেষজ্ঞর চোখে
    • অধিকার
  • যৌথতা
    • প্রতিরোধ
    • সংহতি
  • সম্মেলন, সভা, সেমিনার
    • ঘোষণা
    • কর্মসূচী
    • গঠনতন্ত্র
    • সম্মেলন
    • সভা
    • সেমিনার
  • জনস্বাস্থ্য মোর্চা সম্পর্কে
    • কেন জনস্বাস্থ্য মোর্চা
    • যোগাযোগ
    • কাজের রিপোর্ট

কোভিড পূর্ববর্তী সময় থেকে চলতে থাকা মুনাফার সঙ্কট থেকে পরিত্রাণের উপায় হিসেবে কোভিড ন্যারেটিভ একটি মরিয়া প্রচেষ্টা

কোভিড পরিস্থিতি এবং তার সঙ্গে সঙ্গে  লকডাউন থেকে শুরু করে এক সার্বিক অচলাবস্থা এল এমন একটা সময় যখন  ২০০৮-০৯ সালের গ্রেট ডিপ্রেসনের থেকেও খারাপ অবস্থায় চলে গিয়েছিল অর্থনীতি। অর্থনৈতিক সংকোচন ছিল মাত্রাছাড়া। আসলে ২০০৮ সালের মহামন্দার পর থেকেই বিশ্ব অর্থনীতি একটা ভয়ঙ্কর স্থবিরতার মধ্যে চলে গিয়েছিল।  পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে এই সঙ্কট ঘুরে ঘুরে আসে আর তখন কোরামিন দিতে শোষণের নতুন নতুন পন্থা বার করে তারা। কোভিড পূর্ববর্তী সময় থেকে মুনাফার এই সঙ্কট থেকে পরিত্রাণের উপায় হিসেবে কোভিড ন্যারেটিভও একটি মরিয়া প্রচেটা

বিস্তারিত পড়ুন...

কোভিড সংক্রান্ত সরকারি বয়ান, মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবার পণ্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেছে।

কোভিড পরিস্থিতির ভয়াবহতা সম্পর্কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ যে ছবি আমাদের সামনে নিয়ে এসেছেন, সেটা যদি তাঁরা নিজেরাও বিশ্বাস করতেন, তাহলে এই বিষয়টার প্রতি আরও অধিক যত্ন নিতেন, নেওয়া উচিৎ ছিল। বিশ্ব, দেশ, রাজ্য জুড়ে যে দীর্ঘ অচলাবস্থা তৈরি হলো, তার ফলে মানুষের জীবনে যে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে তার সম্পর্কে শুরুতে কোন প্রস্তুতি না থাকতে পারে, কিন্তু বিপর্যয়ের মধ্যে বেশ কিছুটা সময় চলে যাওয়ার পরে প্রস্তুত হওয়ার চেষ্টাটাও যখন চোখে পড়ে না, তখন হয় ভয়াবহতার ওই চিত্রটা শুধুই ভয় দেখানোর জন্য কিনা, এ প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

বিস্তারিত পড়ুন...

জনস্বাস্থ্যের অজুহাত তৈরি করে একচেটিয়া পুঁজির (কর্পোরেটের) সংকট থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার নীল নকশা তৈরির পিছনের কুশীলবেরা

রাষ্ট্র কোভিড ন্যারেটিভ গিলিয়ে দিয়ে যে আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি করতে পেরেছে এবং লকডাউন চাপিয়ে দিয়েছে বিষয়টা শুধু এমনই নয়, জনগণের একাংশের সম্মতিও আদায় করে নিয়েছে এক্ষেত্রে। জনস্বাস্থ্যের দোহাই দিয়ে যে কোনও গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ এবং আন্দোলনকে দমন করতে ব্যবহার করেছে বিপর্যয় মোকাবিলা আইন। গণতান্ত্রিক পদ্ধতির তোয়াক্কা না করে কৃষি বিল, শ্রম কোড সহ একের পর এক কর্পোরেট স্বার্থ চরিতার্থকারী আইন পাশ করে নিয়েছে ঘুরপথে, এমনকি সংসদকেও এড়িয়ে। জনগণের মধ্যে আলোচনা তো দূরস্থান। এসব খুব সহজেই সম্ভব হয়েছে জনস্বাস্থ্যের অজুহাত দেখিয়ে। মাস্ক, বাধ্যতামূলক ভ্যাকসিন, সামাজিক দূরত্ব, লকডাউন সহ একের পর এক বিধি চাপিয়ে গেছে সাধারণ মানুষের ওপর, যা একদিকে কেড়ে নিয়েছে মানুষের জীবিকা, স্বাধীনতা এবং ন্যূনতম মৌলিক অধিকার। বহু মানুষ খেয়ে পরে টিকে থাকার আর্থিক সংস্থানটুকুও হারিয়েছেন এই লকডাউনে।

বিস্তারিত পড়ুন...

পুঁজিবাদের সংকট, কোভিড আখ্যান ও বামপন্থী রাজনীতি

যে কোন সংকট পরিস্থিতিকে দক্ষিণপন্থী রাজনীতিও চেষ্টা করে, জনগণের সংকটমুক্তির লড়াইয়ে সামিল হয়ে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে। দক্ষিণপন্থী রাজনীতি যেহেতু এই বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের চেষ্টা করছে, তাদের আন্দোলনের বিরোধিতা করাটাই বামপন্থার পরকাষ্ঠা - এভাবে দেখার মধ্যে একটা যান্ত্রিকতা আছে। বরং বামপন্থী রাজনীতির কাজ হওয়া দরকার ছিল, দক্ষিণপন্থী রাজনীতির স্বার্থকে উন্মোচন করতে জনগণের সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়া। রাষ্ট্রের তৈরি কোভিড বয়ান-কে মান্যতা দিয়ে বামপন্থী রাজনীতির যে অংশ বিজ্ঞানের দাবি করছেন, তাঁরা আসলে, দক্ষিণপন্থী রাজনীতির স্বার্থকেই পুষ্ট করছেন।

বিস্তারিত পড়ুন...

সরকারি কোভিড ভাষ্য জনস্বাস্থ্যের বুনিয়াদি ধারণার ওপর আক্রমণ

গত দুবছর ধরে কোভিড বিধির নামে যে সামাজিক বিধিনিষেধ গুলো রাষ্ট্র আমাদের জনজীবনে চাপিয়ে দিচ্ছে এবং রাখছে, যেমন বাধত্যতামূলক মাস্ক পরা, লকডাউন এবং জায়গায় জায়গায় আংশিক লকডাউন, জীবন জীবিকার জায়গা থেকে মানুষকে উৎখাত করা,ভ্যাকসিন এর বাধ্যবাধকতা, ইত্যাদি তা সবই হচ্ছে জনস্বাস্থ্য কে সামনে রেখে, বলা ভালো জনস্বাস্থ্য কে অজুহাত করে। তাই এই সামগ্রিক অবস্থার মোকাবিলায় আমাদের প্রয়োজন জনস্বাস্থ্যর গড়ে ওঠার ধারণা, জনস্বাস্থ্য সম্পর্কে আমাদের বোঝাপড়া আর একবার একটু ঝালিয়ে নেওয়া এবং প্রয়োজন, এর বিরুদ্ধে জন আন্দোলনে জনস্বাস্থ্যকেই হাতিয়ার করে তোলা।

বিস্তারিত পড়ুন...

যুক্তিবাদীদের বলছি, স্যার!

লিখেছেন: ডা. গৌতম দাস

যুক্তি যখন প্রতিষ্ঠান আর ক্ষমতা-র মান্যতার কাছে নিজেকে সমর্পণ করে, তখন এক বেজায় সমস্যা তৈরি হয়। ক্ষমতার দাপটকেই 'যুক্তি'-র প্রমাণ হিসেবে দাবি করা হয়। 'কোভিড ১৯-এর নামে সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং মানবাধিকারের ক্ষেত্রে যে পাহাড়প্রমাণ অন্যায় এবং মিথ্যাচার সংঘটিত হচ্ছে, সারা পৃথিবী জুড়ে ক্ষমতাশালীদের যে আখ্যান এই অন্যায় এবং মিথ্যাচারকে ‘নিউ নরমাল’ আর ‘গ্রেট রিসেট’ বলে চালানোর চেষ্টা করছে, স্বঘোষিত যুক্তিবাদীরা তাদের সুরেই পোঁ ধরেছেন। এই চিৎকৃত আত্মরতি, নির্বোধ এবং বদ রসিকতা অনেক সময় কুৎসিত মনে হয়।'

বিস্তারিত পড়ুন...

ভাইরাসের দোহাই দিয়ে...

লিখেছেন: উত্তান বন্দ্যোপাধ্যায়

ভাইরাসের দোহাই দিয়ে লকডাউনের পর লকডাউন হবে। ভ্যাক্সিনের পর ভ্যাক্সিন। প্রথমে ভ্যাক্সিন এসেছিল এই বলে যে ভ্যাক্সিন নিলে আর কারোর করোনায় আক্রান্ত হয়ে কোভিড হবে না। একটু পরে বয়ান পাল্টে গেলো। বলা হল, ভ্যাক্সিন নিলেও কোভিড হতেই পারে তবে রোগের প্রাবল্য কমবে। তারপর যখন দেখা গেল দুটো ভ্যাক্সিন নিয়েও সিরিয়াস পেশেন্ট হিসেবে মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে ও মারাও যাচ্ছে (উদাহরণ: ইজরায়েল), তখন বলা হল, ওহো, ভাইরাসটা দুর্ধর্ষভাবে খালি তার নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে আসছে! তাই তৃতীয় ভ্যাক্সিন চাই বা বুস্টার ডোজ। ভারতে সিরাম ইনস্টিটিউট এর মালিক আদার সি পুনেওয়ালার সে কী গর্জ্জন! সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিরা যেন ভ্যাক্সিনের বিরোধিতা নিয়ে আগামি তিন বছর কোন মামলা না-শোনেন এবং প্রতিটি নাগরিক যেন ভ্যাক্সিন নেয় তা সুনিশ্চিত করার জন্য সরকারকে যেন নির্দেশ দেন। এদিকে সরকার প্রথমে বলল, ভ্যাক্সিন নিখরচায় দেওয়া হবে; তারপর বলল, না, না, বাজার থেকেই কিনতে হবে। মহামারী, অতিমারী যদি জনস্বাস্থ্যের সংকট হয় তাহলে একজন নাগরিকও বাজার থেকে ভ্যাক্সিন কিনবেন, এটা কি ন্যায়?
কী চলছে তাহলে?

বিস্তারিত পড়ুন...

বিখণ্ডিত সমাজ

লিখেছেন: ডা. অমিতাভ ব্যানার্জি
অনুবাদক: ডা. স্থবির দাশগুপ্ত

কোভিড নিয়ে আজগুবী প্রচার করে আমরা একটা মানসিক ব্যাধিগ্রস্ত সমাজ তৈরি করে ফেললাম, ডাক্তারি ভাষায় এই ব্যাধির নাম, ‘অবসেসিভ-কম্পালসিভ ডিসঅর্ডার’ (উদ্বেগজনিত ব্যাধি)। সমাজটাকে এই ব্যাধি থেকে মুক্ত করতে না-পারলে বিপদ ভয়ানক।

বিস্তারিত পড়ুন...

নষ্টকালের জনস্বাস্থ্য

লিখেছেন: ডা. স্থবির দাশগুপ্ত

বৃহৎ পুঁজির আঘাতে চিকিৎসা শাস্ত্রের, জনস্বাস্থ্যের আঙিনায় কি কি পরিবর্তন এলো? চিকিৎসকেরা কি ভুলে গেলেন যে ‘মেডিসিন সামটাইমস কিওরস, অফ্‌ন রিলীভস, বাট অলওয়েস কনসোলস’? কোনও একটা ‘ইল’ থাকলেই যে তার একটা ‘পিল’ থাকবে, এটাই কি হয়ে উঠল চিকিৎসার নতুন মন্ত্রগুপ্তি? সুভদ্র মানুষের ‘উন্নত স্বাস্থ্য চেতনার’ কর্পোরেট আলোকিত পথের ধারে জনস্বাস্থ্য যে পথের ভিখিরি হয়ে রইল, সেই দায় কার?

বিস্তারিত পড়ুন...

সংখ্যার ম্যাজিক

লিখেছেন: ডা. ভাস্কর চক্রবর্তী

‘কোভিডের প্যানডেমিক’কে যখন আমরা চক্রান্ত বলছি, প্ল্যানডেমিক বলছি, তখন পাঠকের মনে এই প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক, তাহলে এই যে এত মানুষের সংক্রমিত হওয়া, এত মানুষের মৃত্যু, এসব কি সত্যই নয়? এগুলো কি ম্যাজিক? বিজ্ঞানের যুগে আমরা তো জানি যে ম্যাজিকের পেছনে থাকে বিজ্ঞান। মানুষের চোখকে ধোঁকা দেওয়ার কারসাজি। কোভিডের এই যে এত এত সংখ্যা, এও এক ধরণের ম্যাজিক। সংখ্যাকে বড় করে দেখানোর, মানুষের মনকে ধোঁকা দেওয়ার কারসাজি। এই কারসাজি লুকিয়ে রয়েছে কয়েকটি মাত্র প্রক্রিয়ার মধ্যে। আসুন আমরা বুঝে নিই এই প্রক্রিয়াগুলো।

বিস্তারিত পড়ুন...

পাতা 2 এর 3

  • 1
  • 2
  • 3
© 2026 জনস্বাস্থ্য মোর্চা। Peoples Alliance for Public Health
Developed by Argentum Web Solutions